Mon. May 27th, 2024

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৫ দিনের সরকারি ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত রয়েছে রাঙামাটি। ছুটিকে কাজে লাগাতে অনেকেই ইতোমধ্যে আসতে শুরু করেছেন পাহাড় আর অরন্যের শহর পার্বত্য এই জেলাতে। কিন্তু তীব্র দাবদাহের কারণে এবার অন্যবারের তুলনায় পর্যটকদের সংখ্যা অনেক কম বলে জানিয়েছেন পর্যটনের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি বন্ধ ও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুরা যান্ত্রিক শহরের একটু ক্লান্তি দূর করতে ছুটে আসেন পাহাড় ও হ্রদ ঘেরা মনোরম প্রকৃতির লীলাভূমি পার্বত্য রাঙামাটিতে।

রাঙামাটি শহরের প্রাণকেন্দ্র বনরুপায় অবস্থিত হোটেল নীডস হিল ভিউ’র ম্যানেজার মো. রাসেল জানান, ঈদের ছুটিতে আমাদের হোটেলের অনেক রুম বুকিং আছে। আশা করছি আরও রুম বুকিং হবে।

রাঙামাটি শহরের আবাসিক হোটেল সাংহাই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফুল আলম শরীফ জানান, আমাদের হোটেলে প্রায় ৬০ ভাগ রুম বুকিং। আগত পর্যটকদের সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত।

এদিকে, রাঙামাটি শহরের পর্যটকদের অত্যন্ত পছন্দের স্থান হলো পুলিশ পলওয়েল পার্ক। সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের কটেজ গুলোতে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত কিছু রুম বুকিং রয়েছে।

রাঙামাটিতে পর্যটকদের জন্য দর্শণীয় স্থানগুলো মধ্যে রয়েছে পর্যটন ঝুলন্ত সেতু, পুলিশ পলওয়েল পার্ক, রাজবন বিহার, এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদ, বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি, কাপ্তাইয়ের জুম রোস্তোঁরা, নেভী ক্যাম্প এবং রাঙামাটি শহর থেকে অদূরে পর্যটন স্পট সুভলং ঝর্ণা, রাঙামাটি রাজবন বিহার, আরন্যক পিকনিক স্পট।

মেঘের বাড়ি খ্যাত সাজেকে ঈদ উপলক্ষে প্রচুর পর্যটক সমাগম হবে এমনাটাই প্রত্যাশা করছিলেন সাজেক এর রিসোর্ট মালিকরা।

সাজেক এর কুঁড়েঘর ম্যানেজার জোতেন ত্রিপুরা বলেন, পুরো সাজেকে ১২২টি রিসোর্ট আছে। সবগুলোতেই কম বেশি বুকিং আছে। কিন্তু দাবদাহের কারণে এবার পর্যটকের সংখ্যা আগের তুলনায় কিছুটা কম।

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপক সীজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, তীব্র দাবদাহের কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী পর্যটক আসেনি রাঙামাটিতে। আশা করছি তাপমাত্রা কমলে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়বে।

আপনার মূল্যবান মতামতটি শেয়ার করুন